যে ১০ টি কারণে মানুষ ব্যর্থতায় ভুগে

0

ব্যর্থতার জন্মদাতা আমরা নিজেরাই। ব্যর্থতা আমাদের নিজেদের মধ্যেই খেলা করছে। বর্তমান পৃথিবীতে সর্বত্রই ব্যর্থতার হাওয়া বইছে। কিন্তু কেন এই ব্যর্থতার ভয়? আমাদের এই ব্যর্থতার পেছনে কি কি কারণ থাকতে পারে আসুন সেগুলো দেখে আসি
ব্যর্থতার কয়েকটি কারণ ও মানুষের জীবনে অনেক কারণ আছে তার মধ্যে ১০ টি কারণ:

১. পারিবারিক কারণঃ যে মানুষগুলো বংশ পরম্পরায় মস্তিস্ক দুর্বল হয় তাদের মধ্যে সফলতা খুব কমই আসে। আদিবাসী ও কুষক সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ পরিবারেই এরুপ অল্প বুদ্ধিবিশিষ্ট মস্তিস্কের মানুষ বেশি দেখা যায়।

২. মাতা পিতার অবঞ্গাঃ ছোটবেলায় মাতা পিতার অবঞ্গা পেয়ে অনেকেই বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ ও জীবনকে বিষাদময় করে তুলে। জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারে না। পরে সফলতা কি জিনিস তারা বুঝতে পারে না।

৩. ব্যক্তিত্ববান হওয়াঃ সাফলতা পেতে হলে আগে নিজেকে ব্যক্তিত্ববান হতে হবে। ব্যক্তিত্বহীন লোক কোনদিন সফলতা লাভ করতে পারে না। তাই নিজে ব্যক্তিত্ববান হোন দেখবে সাফলতা অবশ্য্ই পাবেন।

৪. উদ্দেশ্য্ না থাকাঃ অধিকাংশ মানুষকে জিঙ্গাসা করে দেখুন- আপনার উদ্দেশ্য্ জীবনের উদ্দেশ্য্ কি? তারা সঠিক ভাবে উত্তর দিতে পারবে না। কেউ বলবে- কোনো রকবে বেচে থাকা, কেই বলকে বংশ রক্ষা করা ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু জীবনের উদ্দেশ্য্ যে সাফল্যলাভ এটা কেউ বুঝে না।

৫. জড়তাঃ বেশিরভাগ মানষ আছেন, যারা বলবে, কোনো রকমে ডালভাত খেয়ে মেখে বেচে থাকাই জীবন। জীবনের যে একটা লক্ষ্য ও গতি আছে তারা তা বোঝার চেষ্টা করে না। কথাগুলো শুনতে খারারপ হলেও এটা সত্য যে তারা নিজেদেরকে শৃগাল কুকুরের মতোই দেখেন।

৬. আত্ননিয়ন্ত্রনঃ এর অর্থ হলো নিজেকে সংযত রাখা। জীবনের গড্ডালিকা প্রবাহের স্রোতে ভাসিয়ে দিলে চলবে না। এতে সফলতা আসবে না।

৭. শিক্ষার অভাবঃ স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাই শিক্ষা নয়- শিক্ষা মানে সাধারণ ঙ্গানকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো।
৮. যথা সময়ের কাজ যথাসময়ে না করাঃ যথা সময়ের কাজ যথাসময়ে না করলে সে কাজ ফলপ্রসু হয় না। আজ নয় কাল করবো বলে রেখে দিলে কোন কাজে সফলতা আসে না।

৯. একাগ্রতার অভাবঃ পারিব না একথাটি বলিও না আর। কোনো কাজে একাগ্রতা বা লেগে না থাকার অব্যান খুবই বোজে জিনিস। লেগে না থাকলে কোনো কাজেই সফলতা আসে না । কথাই আছে লা “লেগে থাকার নামই ভালবাসা”

১০. অনুপযুক্ত বিবাহবন্ধনঃ অনেক ক্ষেত্রেই অনুপযুক্ত বিবাহবন্ধন মানুরষর জীবনকে বিষাদময় করে তুলে। আপনি যদি যোগ্য ব্যক্তি হয়ে থাকেন তাহলে আপনার উচিত আপনার লেভেলের ব্যক্তিকেই বিবাহ করা। শিক্ষত ব্যক্তি একজন উপযুক্ত সফল বাড়ির শিক্ষিতা মেয়েকেই বিয়ে করবেন।

Share:
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *